📅 তারিখ: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫ | 🏢 স্থান: ঢাকা | ✍️ প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার
মানব সেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আজ ২২ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন-এর সম্মানিত সদস্য এবং বাংলা সিটি পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম-কে এক গৌরবোজ্জ্বল আয়োজনে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়।
এই সম্মাননাটি তাঁর হাতে তুলে দেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন-এর মাননীয় প্রেসিডেন্ট, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ।
সম্মাননার মূল পেছনে রয়েছে এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তব অবদান
লায়ন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শুধু একজন সফল উদ্যোক্তা নন, তিনি একজন মানবিক চিন্তাবিদ। তার নেতৃত্বে বাংলা সিটি পিএলসি বহু স্থাপনা ও আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পায় সামাজিক দিকটি। লায়ন্স ক্লাবের বহু সদস্যই ইতিমধ্যে তাঁর প্রকল্প থেকে ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন, এবং ভবিষ্যতে তিনি একটি “অনন্য আবাসিক স্থাপনা” নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন—যা শুধুমাত্র একটি ভবন নয়, বরং একটি মানবিক সমাজ গঠনের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
🗣️ প্রেসিডেন্ট লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ-এর বক্তব্যে উদ্দীপনা ও উৎসাহ
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ বলেন:
“লায়ন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আমাদের সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি শুধু নিজের ব্যবসাকে এগিয়ে নিচ্ছেন না, সমাজের প্রতিও পালন করছেন এক মহান দায়িত্ব। তার মতো মানুষরা থাকলে আমাদের সমাজ হবে আরও মানবিক, আরও সহানুভূতিশীল। আমরা গর্বিত যে তিনি আমাদের ক্লাবের সদস্য।”
লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ একাধারে একজন বহু সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সমাজদ্রষ্টা। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য, এবং বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউট গাইড ফেলোশিপ, ও বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (BSTQM)-এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (IBFB)-এর সদস্য এবং বৃহত্তর খুলনা সমিতির দপ্তর সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এই পদগুলো থেকে বোঝা যায়, তিনি শুধু একটি সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন; বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন।
এই সম্মাননা শুধু একটি ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি মূল্যবোধকে সম্মান জানানো—যেখানে ব্যবসা আর মানবসেবা একসঙ্গে চলে। লায়ন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম তাঁর কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রমাণ করেছেন, সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতা থাকলে যে কোনো প্রতিষ্ঠান একটি উন্নয়নের বাতিঘর হয়ে উঠতে পারে।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজসেবায় নিবেদিত মানুষেরা যেমন অনুপ্রাণিত হয়েছেন, তেমনি দেশের আবাসন ও মানবিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।
Leave a Reply