কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদের স্মরণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে রাজধানীর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক কবি ও কথাসাহিত্যিক মোঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কবিপৌত্রী জনাব খিলখিল কাজী।
অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সি আবু সাইফ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (উপসচিব) জনাব কে. এম. আল-আমীন।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বাংলা লোকসংগীত ও পল্লীগীতির বিকাশে আব্বাসউদ্দীন আহমদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আব্বাসউদ্দীন আহমদের কণ্ঠ, সংগীত সাধনা এবং সাংস্কৃতিক অবদান বাংলা সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ, প্রেসিডেন্ট, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন এবং উপদেষ্টা, লিও ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন সিটি। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য। এছাড়াও বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন, উদ্যোক্তা ক্লাব ফাউন্ডেশন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট, খুলনা ডায়াবেটিক সমিতি, বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউট গাইড ফেলোশিপ, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) এবং খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানিত সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী ইয়াকুব আলী খান, ফেরদৌস আরা এবং সালাউদ্দিন আহমেদ। তাঁদের পরিবেশনায় আব্বাসউদ্দীন আহমদের কালজয়ী গান নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সংগীত ঐতিহ্যকে আরও একবার তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাহিত্যিক, গবেষক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। স্মরণসভাটি আব্বাসউদ্দীন আহমদের জীবন, কর্ম ও সংগীত সাধনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।
Leave a Reply